শেষ মুহূর্তে ডাক পেলেন রাহি

স্পোর্টস ডেস্কঃরোববার থেকে শুরু হওয়া ভারত `এ` দলের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য শেষ মুহূর্তে দলে নেওয়া হয়েছে পেসার আবু জায়েদ রাহি।

প্রথমে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছিলো। বৃহস্পতিবার ভারতের হায়দ্রাবাদে পৌঁছায় বাংলাদেশ দল। ১৫ সদস্যের স্কোয়াডের সঙ্গে যোগ দিবেন রাহি।

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। তার আগে ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে দুইদিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। প্রস্তুতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে হবে ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি।

উল্লেখ্য,বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে অতি পরিচিত একটি মুখ আবু জায়েদ রাহী। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো বোলিং করেছেন এই পেসার। ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। রংপুর রাইডার্সের বিরুদ্ধে ২০ রানে ৩ উইকেটও আছে এ পেসারের।প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রাহি সিলেট বিভাগ ও ইসলামি ব্যাংক ইস্ট জোনের হয়ে খেলেন। এখন পর্যন্ত ৫০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে ১৫৬টি উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার বোলিং গড় ২৬.৫১।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে

ডেস্ক রির্পোটঃআওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও প্রবীণ রাজনীতিক সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে রোববার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

শনিবার রাতে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একান্ত সহকারী কামরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত,  গত  শুক্রবার সকালে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত   ল্যাব এইডে ভর্তি করা হয়। তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে।  শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর অবস্থার অবনতি হয়। রাত নয়টার দিকে তাঁকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।

এদিকে,সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অসুস্থতার খবর শুনে দলীয় নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা শনিবার রাতে হাসপাতালের বাইরে ভিড় করেন।সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

শক্ত অবস্থানে টাকা

অর্থনীতি ডেস্কঃমার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো ও ইউএই দিরহামসহ বেশ ক’টি দেশের মুদ্রার বিপরীতে এখন শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশের টাকা। গত পাঁচ বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতেই টাকার মান বেড়েছে প্রায় পাঁচ টাকা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রেমিট্যান্স আর রপ্তানী আয় বাড়ায় টাকার এই মান উন্নয়ন।

তারা বলছেন, বিশ্বজুড়ে চলমান অর্থনৈতিক মন্দা আর ব্রেক্সিটের কারণে ডলারের বিপরীতে পৃথিবীর অনেক দেশের মুদ্রা মান হারিয়েছে। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা বাজারে এর তেমন প্রভাব পড়েনি, বরং টাকার মান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

২০১২ সালে এক ডলার কিনতে প্রয়োজন হতো ৮৫ টাকা। বর্তমান লাগছে ৭৯ টাকা ৮৫ পয়সা। গত দুই বছর ধরে এই মান স্থিতিশীল রয়েছে।

মান হারিয়েছে যেসব দেশের মুদ্রা ওই তালিকায় মার্কিন ডলার ছাড়াও রয়েছে ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, সিঙ্গাপুর ডলার, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, সৌদি রিয়েল ও কুয়েতি দিনার।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তৈরি পোশাকখাতসহ রপ্তানী বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তেলের দাম স্থিতিশীল থাকায় ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের টাকা শক্ত অবস্থানে আছে।

বাজারে ডলারের যেন কোন সংকট সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করতে গত অর্থবছরে ২শ’ ১৬ কোটি ডলার কিনে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সাবধান!এই ছয় পুরুষ থেকে

বন্ধু বা সঙ্গী নির্বাচনে নারীদের সব সময় সতর্কতা প্রয়োজন। নইলে বিপদে পড়তে হতে পারে। অথবা জীবন হয়ে উঠতে পারে ঝামেলাপূর্ণ। চোখের সামনে যে টল-ডার্ক-হ্যান্ডসাম পুরুষটি দেখছেন তা সত্যি নাও হতে পারে।

তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে পুরুষের ৬ বৈশিষ্ট্য খতিয়ে দেখুন। এসব বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পুরুষদের এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জেনে নিন-

১. ক্ষণে ক্ষণে মনবদল
এই দেখলেন বন্ধু বা সঙ্গী আপনার খুব যত্ন নিচ্ছেন। নিমেষেই বদলে গেল আচরণ। আপনার খোঁজই নিলেন না তিনি। ক্ষণে ক্ষণে মন বদলানো পুরুষের সঙ্গে তাল মেলানো দায়। তাই তাঁদের এড়িয়ে চলাই নারীদের পক্ষে মঙ্গলজনক।

২. আমি শুধুই আমি
হয়তো আপনি সঙ্গীর সঙ্গে কোনো রেস্তোরাঁয় গেছেন। তিনি আপনাকে খাবারের তালিকা দেখতে দিলেন। কিন্তু নিজের পছন্দ অনুযায়ীই খাবারের ফরমাশ দিলেন। ফোনে কথা বলছেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি কেবল নিজের কথাই বলে গেলেন। তাঁর দিন কেমন কাটল, জীবনের লক্ষ্য কী—এসব শুনতে শুনতেই কেটে গেল সময়। এ রকম আত্মসর্বস্ব পুরুষকে সঙ্গী করলে বাকি জীবনটা অসুখীই হবেন।

৩. শিশুসুলভ
সঙ্গী পুরুষ সব সময় শৈশবের গল্প করছেন। আশা করছেন, মায়ের মতো তাঁর জুতো-কাপড় আপনি নির্বাচন করবেন। তাঁর খাবার আপনি রান্না করবেন। তাঁকে খাইয়ে দেবেন। এ ধরনের শিশুসুলভ পরনির্ভরশীলতা যেসব পুরুষের রয়েছে, তাঁদের ত্যাগ করাই শ্রেয়।

৪. গায়ে পড়া
সব নারীর সঙ্গেই আপনার পুরুষ সঙ্গীটি মাখামাখি করতে পছন্দ করেন। অযথা বেশি বেশি গায়ে পড়া ভাব দেখান। অভ্যর্থনাকারী, পরিচারিকা, অপরিচিত, এমনকি প্রিয় বন্ধুটিও বাদ যান না আপনার সঙ্গীর এই আচরণ থেকে। কেবল যৌন বিষয়েই আগ্রহ থাকে এ ধরনের পুরুষদের। নারীদের তাঁরা ভাবেন ভোগ্যবস্তু। এ রকম সঙ্গী থেকে দূরে থাকুন।

৫. অতি আবেগ
কোনো কিছুর বাড়াবাড়ি ভালো নয়। আপনার পুরুষ সঙ্গী কি সব সময়ই অনিরাপদ বোধ করেন? সন্দেহে ভোগেন? আবেগে ডগমগ করেন? এ রকম পুরুষ সব সময়ই আপনাকে খড়কুটো হিসেবে আঁকড়ে ধরতে চাইবেন। সব ক্ষেত্রে সেটি হওয়া আপনার জন্য বিরক্তিকর। তাই তাঁদের এড়িয়ে চলাই ভালো।

৬. একঘেয়ে
এ ধরনের পুরুষের কাজকর্ম ছকবাঁধা রুটিনে বাঁধা থাকে। কোনো বৈচিত্র্য বা চমক নেই। তিনি আগে পরিকল্পনা করেন এবং সে মাফিক চলেন। তাই কখন কী করবেন, আপনি সহজেই আঁচ করতে পারবেন। নিয়ম মেনে তাঁদের সঙ্গে জীবন কাটানোও বিরক্তিকর। তাই এড়িয়ে চলুন তাঁদের।

বিয়ে করছেন রাজ-শুভশ্রী

বিনোদন ডেস্কঃ শুরু হয়েছে উভয়পক্ষের তোড়জোড়। বিয়ের সানাই বাজলো বলে ! এবছরের শেষের দিকে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন টালিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি ও গুণী নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী । বহুদিন ধরেই টালিগঞ্জে গুঞ্জন উড়ছে প্রেম করছেন তারা। এবার সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে সত্যি সত্যি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন রাজ-শুভশ্রী। কিছুদিন আগে রাজ আর শুভশ্রীর পরিবারের লোকজনও নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করেছেন।

জানা গেছে, শুভশ্রীর বর্ধমানের বাড়িতে রাজের পরিবারের লোকজন গিয়েছিলেন। দুই পক্ষই বেশ তোড়জোর শুরু করেছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে হয়তো এ বছরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন রাজ-শুভশ্রী। নভেম্বরেই তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। তাই দু’জন মিলে একটি ফ্ল্যাটও কিনেছেন। এখন সেই ফ্ল্যাট সাজনোর কাজ চলছে।

আপাতত দেব-রুক্মিণীকে নিয়ে ‘চ্যাম্প’-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত রাজ। তার মধ্যেই দিন কয়েক আগে সময় বের করে শুভশ্রীর সঙ্গে বেড়াতেও গিয়েছিলেন। গত ক্রিসমাস রাজের পরিবারের সঙ্গেই সেলিব্রেট করেছেন শুভশ্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই সেলিব্রেশনের ছবি শেয়ার করেছিলেন রাজ নিজেই। গত বুধবার সরস্বতী পুজোর দিনও রাজের প্রোডাকশন হাউসেই দিনভর কাটিয়েছেন শুভশ্রী। পরিচিতদের সঙ্গে রাজ নিজেই তার আলাপও করে দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে ‘চ্যাম্প’ রিলিজের পরই নাকি বিয়ে করবেন এই জুটি।

‘অভিমান’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়েই তাদের প্রেমের সম্পর্কের শুরু। আর মিমির সঙ্গে বিচ্ছেদটা কাটিয়ে উঠতেই রাজ বোধহয় এত তাড়াতাড়ি প্রেমের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘ দিন প্রেম করেছেন রাজ চক্রবর্তী। গত বছরের শেষের দিকে এই সম্পর্কের ইতি টানেন রাজ। এছাড়া পায়েলের সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন রাজ। তবে দুটি সম্পর্কের শেষ মোটেও সুখকর হয়নি। এদিকে চিত্রনায়ক দেবের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শুভশ্রী। তাদের বিচ্ছেদও তিক্ততার মাধ্যমেই শেষ হয়েছে। যদিও সব ভুলে ফের একসঙ্গে সিনেমায় কাজ করেছেন দেব-শুভশ্রী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টলিউডের বেশ কিছু সূত্র বলছে, যা রটে তার কিছু তো বটে। রাজ-শুভশ্রী যে প্রেম করছেন তা তো ওপেন সিক্রেট। এ বার হয়তো বিয়ের খবরটাই সত্যি।

তোমার অপেক্ষায়

‘তুমি ফিরবে’

___সমরেশ মজুমদার

তুমি ফিরবে কোন একদিন
হয়তো নীলিমায় হারানো কোন এক নিষ্প্রভ
বেলায়।
নতুবা কোন এক নবীন হেমন্তে,
এক নতুন দিনের নির্মল খোলা হাওয়ায়।
অথবা কোন এক শ্রাবণের দিনে
অহরহ ঝরা ঘন কাল মেঘ বৃষ্টির
মুহু মুহু নির্ঝর খেলায়।

তুমি ফিরবে কোন এক রাতে
পূর্ণিমার ভরা জোছনায়।
তুমি ফিরবে জানি বহুদিন পরে
হয়তো বা হাজার বছর পরে।
কোন এক নিঃস্ব হৃদয়ে,
লক্ষ্য প্রাণের ভিড়ে, তুমি ফিরবে।
বহুরুপে সেই প্রাণে, অনেক নবীনের ভিড়ে,
তোমার আমার গড়া ভালবাসার নীড়ে!

মেকআপ ছাড়াই সুন্দর চোখ

মনের কথা বলে যে চোখ, সেই চোখকে নানা রকমের মেকআপের আড়ালে ঢেকে রাখাটা একরকম অন্যায়ই বলা চলে। তবে মেকআপ ছাড়া চোখ কখনো সুন্দর দেখাতে পারে না, এমন ধারণাও ভুল। চোখ সুন্দর দেখাতে মেকআপ দরকার হয় না, দরকার শুধু একটুখানি যত্নের।

টানা টানা চোখদুটোকে কৃত্রিম আবরণে ঢাকতে না চাইলে চোখ দুটোর নিয়মিত যত্ন কিন্তু আপনার নিতেই হবে। টানা চোখে বড় বড় পাঁপড়ি চান? তাহলে নিয়ম করে চোখের পাতায় ফেশিয়াল ক্রিম লাগান। এই ক্রিম আপনার চোখের পাতাগুলোকে পুষ্টি যোগাবে। খেয়াল রাখবেন ক্রিম যেন চোখের ভেতরে না যায়।

চোখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিলে শুধু যে আপনার ক্লান্ত চোখদুটো অনেক শান্ত বোধ করবে তাই নয়, বরং এই ঝাপটা চোখদুটোকে পরিষ্কার রাখবে, পাশাপাশি অনেক ঝরঝরেও দেখাবে।

ঠান্ডা টি-ব্যাগ নিয়ে চোখের নিচে ধরে রাখুন। এই টি-ব্যাগ চোখের চারপাশের চামড়া কুঁচকে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে। ফলে চোখ দেখাবে তরুণ।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং রাতে আট ঘণ্টার ঘুম আপনাকেই নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে মুখের ত্বক এবং চোখ ঠিকই ঘুমের অপর্যাপ্ততা প্রকাশ করে ফেলবে সবার সামনে। সেটা নিশ্চয়ই আপনি চান না। ক্লান্ত ও ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখ কি সুন্দর দেখাতে পারে? আপনিই বলুন।

প্রতিদিন সঠিক পরিমাণে পানি, ফলমূল এবং শাকসবজি খেলে আপনার চোখ ও ত্বক থাকবে আকর্ষণীয়।

বাড়তি আইশ্যাডো, মাশকারা, আইলাইনার লাগাবেন না মানলাম। কিন্তু আইব্রো দুটি তো শেপ করে নিতে পারেন। দেখবেন, চোখ দুটো নতুন মাত্রা পাবে।

সাধারণভাবেই চোখদুটোকে আরো গ্ল্যামারাস করতে চাইলে হাতের আঙ্গুলে পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়ে সেটা চোখের পাতায় ব্রাশ করুন। পার্থক্যটা নিজেই টের পাবেন।

ঘরে বসেই তৈরি করুন পিনাট বাটার

উপকরণ : বাদাম দুই কাপ, তেল দুই চা চামচ, মধু দুই চা চামচ, কোকো পাউডার দুই চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, চকলেট চিপস দুই চা চামচ এবং লবণ স্বাদমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে একটি প্যানে মাঝারি আঁচে বাদামগুলো পাঁচ মিনিট ভেজে নিন। এবার ভাজা বাদামগুলো একটি ব্লেন্ডারে দিয়ে পাঁচ মিনিট ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এতে তেল, কোকো পাউডার, গরম মসলার গুঁড়া, মধু, চকলেট চিপস এবং লবণ দিয়ে আরো পাঁচ মিনিট ব্লেন্ড করুন। হাত দিয়ে দেখে নিন সবগুলো উপকরণ ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়েছে কি না। এরপর একটি বোতলে বাদামের এই মিশ্রণটি রেখে ফ্রিজে ঠান্ডা করুন।

ব্যস, তৈরি হয়ে গেল স্বাস্থ্যকর পিনাট বাটার!

আজকের টিপস

  • অনেক সময় জামা কাপড়ে ঘামের দাগ পড়ে যায়। এই দাগ উঠাতে একটি অর্ধেক রস বের করে নেয়া লেবু ঘষে নিন। এরপর দাগের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঘামের দাগ একেবারে উধাও হয়ে যাবে।

অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ৩৩ ভাগ টাকার নোট

অর্থনীতি ডেস্কঃপণ্য বা সেবা বিনিময়ের মাধ্যম মুদ্রা। এটি অর্থনীতির অন্যতম অনুসঙ্গ। দেশভেদে মুদ্রার ভিন্ন ভিন্ন নাম আছে। বাংলাদেশি মুদ্রার নাম ‘টাকা’।

টাকার নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে। কিন্তু টাকার নোট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক নজরদারির অভাবে প্রতিবছর সরকারকে নির্ধারিত খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ গচ্চা দিতে হচ্ছে।

কারণ, ত্রুটিপূর্ণ ব্যবহারের কারণে টাকার নোট ছিঁড়ে যায়, পুড়ে যায় কিংবা এর রং ফ্যাকাসে হয়ে যায়। ফলে একসময় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে বিপুল পরিমাণ টাকার নোট। ব্যবহারের অযোগ্য এসব টাকা পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলতে হয়। সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকও এ কাজ করে থাকে।

একই সঙ্গে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পুরাতন ওই নোটের সমপরিমাণ নতুন নোট ছাপাতে হয়। এতে সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন লিমিটেড (টাকশাল) সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর ৩০ থেকে ৩৩ শতাংশ টাকা নষ্ট বা অপচয় হচ্ছে অযত্নে ব্যবহৃত হওয়ার কারণে।

টাকশাল প্রতিবছর ২ থেকে ১০০০ টাকা মূল্যমানের ১০০ কোটি পিস নোট ছাপায়। প্রতিটি নোট ছাপাতে বর্তমানে গড়ে ৩.৪৮৫ টাকা খরচ হয়। সে হিসেবে ১০০ কোটি পিস নোট ছাপাতে সরকারের খরচ হয় ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বাহকরা যদি একটু সতর্কভাবে টাকার নোট ব্যবহার করেন তাহলে এই খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধ থাকা সত্বেও ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট মোটা পিন মেরে বা সুতা দিয়ে গেঁথে বান্ডিল করেন এর বাহকরা। তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও এ কাজ করে থাকে। এই পিন বা সুতা খুলতে গিয়ে ওই বান্ডিলের অনেক নোট ছিঁড়ে যায়।

এ ছাড়া অতি ব্যবহার ও অযত্নে ব্যবহার হওয়া্য় অনেক নোট একপর্যায়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ২, ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার নোট বেশি নষ্ট হয়। বাহকদের সতর্কতার অভাবে অনেক নোট শ্রীহীন ও নরম হয়ে যায়। আগুনে আংশিক পুড়েও অনেক টাকা অচল হয়ে পড়ে। ছোট নোটগুলো পরিবর্তনের জন্য সহজে কেউ ব্যাংকে যান না। আর পরিবর্তনের জন্য গেলেও ব্যাংকগুলোতে অনেক ঝক্কি পোহাতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন লিমিটেডের (টাকশাল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জিয়াউদ্দীন আহমেদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমরা শুধু ১০০০ টাকার নোট বান্ডিল করার সময় পিনআপ করি। অন্য কোনো নোটে পিনআপ করি না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা রয়েছে, নোটের গায়ে বড় পিনআপ করা যাবে না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বড় নোটগুলোতে ছোট পিনআপ করা যাবে। কিন্তু এই নির্দেশনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মানছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের।’

নোট ছাপানোর বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘টাকা ছাপাতে সরকারের কত বাজেট সে বিষয়ে বলতে পারব না। আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী টাকা ছাপাই। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে নোট ছাপানো হয়েছে ৭০৫ মিলিয়ন পিস। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছাপানো হয়েছে ১ হাজার ২৫৮ মিলিয়ন পিস। আর গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ছাপানো হয়েছে ১ হাজার মিলিয়ন পিস।’

টাকা ছাপানোর খরচের বিষয়ে জানতে চাইলে জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২ টাকার নোট ছাপা হয়নি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ২ টাকার নোট প্রতিটি ছাপাতে খরচ পড়েছে ১.১৬ টাকা। অন্যদিকে গত অর্থবছরে ৫ টাকার প্রতিটি নোট ছাপাতে ১.৫৯ টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২.০১ টাকা, ২০ টাকার নোট ছাপাতে ২.৩৩ টাকা এবং ৫০ টাকার নোট ছাপাতে ২.১৬ টাকা খরচ হয়। আর ১০০ ও ৫০০ টাকার প্রতিটি নোট ছাপাতে খরচ হয় যথাক্রমে ৫.৯৩ টাকা ও ৫.০৮ টাকা। এ ছাড়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১০০০ টাকার প্রতিটি নোট ছাপাতে খরচ হয়েছে ৭.৬২ টাকা।’

টাকা নষ্ট হওয়ার কারণ সম্পর্কে জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের নোট ছাপানোর কাগজ ও কালির মান পৃথিবীর যে কোনো দেশের সমতুল্য। কোনো কোনো নোট অন্যান্য দেশের নোটের মানের চেয়েও ভালো। সমস্যা হচ্ছে, আমাদের ব্যবহার পদ্ধতি ভালো না। বিশেষ করে ছোট ছোট নোটগুলো রিকশাচালক, হকার, মাছবিক্রেতা কিংবা শ্রমজীবী মানুষরা অনেকক্ষেত্রে সতর্কভাবে ব্যবহার করেন না। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, আমাদের দেশে আর্দ্রতা ও ধুলা অনেক বেশি। তাই ছোট নোটগুলো তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।’

তিনি জানান, প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে, অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরদারির মধ্যে আছে। আমরা যখনই কোনো টাকা পিন মারা অবস্থায় পাই, কারা পিন মারল সেটা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেই।’

তিনি বলেন, ‘ব্যবহারকারীদের অসতর্কতায় টাকার নোট ছিঁড়ে যায়, পুড়ে যায় কিংবা রঙ ফ্যাকাসে হয়ে যায়। ফলে একসময় তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব নোট পুড়িয়ে ফেলে। এর পরিবর্তে নতুন করে নোট ছাপাতে হয়। সে নোট ছাপাতে সরকারকে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হয়।’